news.ibtvusa@gmail.com

929-633-2900

এবার বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

এবার বড় ভূমিকম্পের শঙ্কা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য দিলেন বিশেষজ্ঞরা

আইবিটিভি ডিজিটাল      প্রকাশিত: দুপুর ০১:৩০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার      আপডেট: দুপুর ০১:৩৮, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার

বাংলাদেশে সবশেষ ৯৬ বছর আগে ১৯৩০ সালে সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এর আগের ৬৫ বছরে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল ৬ বার। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিশ্চিত করে কিছু বলা না গেলেও প্রায় শত বছর পার করা এসব প্লেট যেকোনো সময় তীব্র ঝাঁকুনি সৃষ্টি করতে পারে।

গত বছরের ২১ নভেম্বর দেশের অভ্যন্তরে বড় ভূকম্পনটি হয় নরসিংদীতে। ইন্দো-বার্মা টেকটনিক প্লেটের এই অংশে ঝাঁকুনির মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এতে কয়েকজনের প্রাণহানী ঘটে। আর মাত্র তিন মাসের মাথায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর ৫ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে ফের কেঁপে উঠলো সারাদেশ।
চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই ১০ দফা ভূকম্পন। গড়ে প্রায় দুই দিনে একটি। এমন ঘনঘন কম্পন কি বড় বিপর্যয়ের আভাস?

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বারবার যদি ভূমিকম্প হয়, আমরা জানি প্লেট বাউন্ডারিতে গেলে সেখানে শক্তি সৃষ্টি হয়। শক্তিগুলো জমা হতে হতে যদি আর জায়গা না পায় তখন সেটা বিস্ফোরণ ঘটে, শক্তিটুকু বের হয়ে আসে। এমতাবস্থায় বারবার যদি এরকম বের হওয়ার চেষ্টা করে, তখন সেখানে মনে হয় যে একটা বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে।

সবশেষ ১৮৯৭ সালের ১২ই জুন 'গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক' ছিল ৮ মাত্রারও বেশি। গবেষণা বলছে, বাংলাদেশের পাশ দিয়ে চলে যাওয়া কিছু বড় প্লেট বাউন্ডারি আর ভেতরে ও অতি নিকটের ফল্ট লাইনগুলোর ১০০ থেকে ১৫০ বছর পর পর ৭ এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে। ৮ এর অধিক মাত্রার ভূমিকম্পেরও আশঙ্কা আছে, যা ২৫০ থেকে হাজার বছর পর পর ফিরে আসে।

পরিসংখ্যান বলছে, শুধু রাজধানী ঢাকায় ২১ লাখ বাসাবাড়ি আছে। যার ৩০ শতাংশই ৬ তলার বেশি। এগুলোর ৯০ শতাংশই ভূমিকম্প সহনীয় নয়। আর সারাদেশে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও অবকাঠামো আছে শত শত। এ অবস্থায় বাসাবাড়িসহ সব অবকাঠামো ভূমিকম্প সহনীয় করে তোলাই হবে প্রধান প্রস্তুতি।