news.ibtvusa@gmail.com

929-633-2900

যেভাবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের জালে আটকা পড়েন সেই মাহদী

যেভাবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের জালে আটকা পড়েন সেই মাহদী

আইবিটিভি ডিজিটাল      প্রকাশিত: বিকাল ০৩:৪৪, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, রবিবার      আপডেট: দুপুর ০১:৩৮, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার

সম্প্রতি পর্তুগালের ভিসা আবেদন করতে ভারতের দিল্লিতে যান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান। মাসখানেক আগে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর কারণে আলোচনায় আসা এই নেতাকে সেখানে কেউ একজন চিনে ফেলেন এবং একটা ভিডিও রেকর্ড করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এরপরেই সক্রিয় হয়ে ওঠেন ভারতের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

মাহদী হাসানের দাবি, দিল্লিতে অবস্থানকালে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তার ওপর নজরদারি চালান এবং পরে বিমানবন্দরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। গত বুধবার দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন। শনিবার বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উঠে আসে এমন তথ্য।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পর্তুগালের ভিসা নিতে মাহদী হাসান দিল্লিতে যান। মঙ্গলবার সকালে দিল্লির কনট প্লেসে একটি বেসরকারি ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে তাকে দেখা যায়। তার সঙ্গে এক নারীও ছিলেন। পরে তারা নিউ দিল্লি রেলস্টেশনের কাছাকাছি একটি হোটেলে ওঠেন। সেখানেই কেউ তার ভিডিও ধারণ করেন বলে সূত্র জানায়।

এরপর বেলা ১১টার দিকে তার ফোনে ভারত ও বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল আসতে শুরু করে। একই সময়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তার ওপর নজরদারি শুরু করে। পরে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র থেকে বের হয়ে তিনি পুরান দিল্লির জামে মসজিদ এলাকায় যান। এরপর কয়েকটি স্থানে আশ্রয়ের চেষ্টা করলে কেউ তাকে থাকতে দিতে রাজি হয়নি বলে সূত্র জানায়। ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ভারতবিরোধী বক্তব্য এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যার প্রকাশ্য দাবি করার অভিযোগের কারণে তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়।

অন্যদিকে বুধবার সকালে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে দিল্লি বিমানবন্দরে যান মাহদী হাসান। সেখানে তাকে প্রায় আধঘণ্টা বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তারা আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে জানা গেছে। ঐদিন বিকেলে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাকে বৈষম্যবিরোধী নেতা হিসেবে আটক করা হয়েছিল। প্রচণ্ড হয়রানির শিকার হয়েছি। আমি জীবনঝুঁকিতে ছিলাম। বাংলাদেশে ফেরার পর বিমানবন্দরেও তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।