news.ibtvusa@gmail.com

929-633-2900

কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে এবার মামদানির মায়ের নাম ঘিরে তুমুল আলোচনা

কুখ্যাত এপস্টেইন নথিতে এবার মামদানির মায়ের নাম ঘিরে তুমুল আলোচনা

আইবিটিভি ডিজিটাল      প্রকাশিত: বিকাল ০৪:৩৭, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মঙ্গলবার      আপডেট: বিকাল ০৩:৩৫, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার

জেফরি এপস্টেইন সংশ্লিষ্ট ৩০ লাখ নতুন নথি প্রকাশের পর নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং তার মা, প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা মীরা নায়ারকে নিয়ে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত মার্কিন বিচার বিভাগের রেকর্ডগুলোতে মীরা নায়ারের নাম আসার পরপরই ২০১৭ সালের একটি পুরনো ছবি সামনে এসেছে। ওই ছবিতে জোহরান মামদানিকে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং এক সময়ের প্রভাবশালী হলিউড পাবলিসিস্ট পেগি সিগালের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছে।

২০১৭ সালের ১৫ নভেম্বর ম্যানহাটনের লিঙ্কন রিস্টোরান্তে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে জোহরান মামদানি অভিনেতা ড্যানিয়েল কালুয়া এবং মা মীরা নায়ারের সঙ্গে হাসিমুখে ক্যামেরাবন্দি হন। অনুষ্ঠানটি ছিল জর্ডান পিলের বিখ্যাত সিনেমা 'গেট আউট'-এর সম্মানে পেগি সিগালের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি মধ্যাহ্নভোজ। পেগি সিগাল এক সময় হলিউডের শীর্ষস্থানীয় পাবলিসিস্ট থাকলেও এপস্টেইনের সঙ্গে গভীর সামাজিক সম্পর্কের কারণে পরবর্তীতে বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতে সমালোচনার মুখে পড়েন। 

২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি প্রকাশিত নথির একটি অংশে ২০০৯ সালের একটি ইমেলের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে দেখা যায়, পেগি সিগাল এপস্টাইনকে মীরা নায়ার পরিচালিত 'অ্যামেলিয়া' সিনেমার একটি আফটার-পার্টি সম্পর্কে লিখছেন। ইমেল অনুযায়ী, সেই অনুষ্ঠানটি হয়েছিল গিজলেন ম্যাক্সওয়েলের ম্যানহাটন টাউনহাউসে এবং সেখানে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং মীরা নায়ার উপস্থিত ছিলেন। তবে নথিতে শুধুমাত্র উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো অনৈতিক বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়নি।

মীরা নায়ার দীর্ঘকাল ধরে ম্যানহাটনের অভিজাত চলচ্চিত্র সার্কেলের এক সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে জোহরান মামদানী বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জেফরি এপস্টেইন ২০১৯ সালে কারাগারে থাকাকালীন আত্মহত্যা করেন এবং তার সহযোগী ম্যাক্সওয়েল বর্তমানে পাচারের দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। নতুন করে এই বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশের ফলে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের সামাজিক যোগাযোগের বিষয়টি আবারও জনসমক্ষে চলে এলো।