news.ibtvusa@gmail.com

929-633-2900

বঙ্গভবনে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রপতিকে ফোনো যা বলেছিলেন নাহিদ

বঙ্গভবনে বিক্ষোভ চলাকালে রাষ্ট্রপতিকে ফোনো যা বলেছিলেন নাহিদ

আইবিটিভি ডিজিটাল      প্রকাশিত: বিকাল ০৩:২১, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সোমবার      আপডেট: দুপুর ০১:৩৮, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার

বঙ্গভবনে মব পরিস্থিতির সবচেয়ে উত্তপ্ত সময়ে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে ফোন করেছিলেন তৎকালীন তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ দাবিতে বিভিন্ন সংগঠন ওই আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে নিজ কার্যালয়ে কালের কণ্ঠকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি ওই সময়ের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবরের সেই রাত ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা। তিনি বুঝতে পারছিলেন না কারা এর সঙ্গে জড়িত।

রাষ্ট্রপতি জানান, একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে নাহিদ ইসলাম তাঁকে ফোন করল যে, ‘এরকম একটা খবর পাওয়া গেছে, ওরা আমাদের লোক না। আমি এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি। এগুলো সব আমরা ডিসপার্স করার চেষ্টা করছি।’ রাষ্ট্রপতির ভাষায়, কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায় কিছু স্থানীয় ব্যক্তি এসে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশকে নিয়ে চলে যায়। তবে সবাই সরে যায়নি। একটি অংশ থেকে যায় এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে রাত দুইটা পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

সেদিন রাত ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ও বঙ্গভবনের ভেতরে থাকা অন্যরা জেগেই ছিলেন। বাইরে তখনও ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন জায়গায় বৈঠক চলছিল। রাজু ভাস্কর্য এলাকা থেকে শুরু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দল বেঁধে ‘রাষ্ট্রপতির অপসারণ চাই’ স্লোগান ওঠে। এই ঘটনার প্রেক্ষাপট টানতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ২২ অক্টোবর হঠাৎ করেই বঙ্গভবন ঘেরাও করা হয়। অমুকের দল, তমুকের দল, ইনকিলাব মঞ্চ, জুলাই ঐক্য-নানা নামে রাতারাতি গজিয়ে ওঠা প্ল্যাটফর্মের ব্যানারে একই ধরনের লোকজন রাস্তায় নামে। তাঁর প্রশ্ন, এত বড় কর্মসূচির অর্থের জোগান তারা কোথা থেকে পেল?

ঘেরাওয়ের পরপরই সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশন থেকে সদস্যরা এসে বঙ্গভবনের চারপাশে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলে। রাষ্ট্রপতির মতে, ওই রাত শুধু নিরাপত্তার দিক থেকে নয়, মানসিক দিক থেকেও ছিল অত্যন্ত ভীতিকর। তাঁর আশঙ্কা ছিল, ৫ আগস্ট যেভাবে গণভবন লুট হয়েছিল, একইভাবে বঙ্গভবনও লুট হতে পারে।