ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলা, সংঘর্ষ, ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। নির্বাচনি ক্যাম্প, মাইক, অফিস, গাড়ি, ভোটকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
কুমিল্লা-২ আসনের হোমনা উপজেলায় বিএনপির প্রার্থী মো. সেলিম ভূইয়ার সমর্থক ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মতিনের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জহিরুল হক জহর চেয়ারম্যানের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ সময় উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
চট্টগ্রামে প্রার্থীর গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। নগরীর কোতোয়ালি থানার সিরাজউদ্দৌল্লা রোডের সাব-এরিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় ইসলামিক ফ্রন্ট মনোনীত চট্টগ্রাম-৯ আসনের প্রার্থী ওয়াহেদ মুরাদকে বহনকারী জিপের সামনের কাচ ভেঙে যায়। তবে কারা এ হামলা করেছে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।
পিরোজপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত মাহমুদ হোসেনের নির্বাচনি প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে। স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মাহমুদের নির্বাচনি ক্যাম্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে। মাহমুদ বলেন, হামলাকারীরা তার নির্বাচনি অফিসে ঢুকে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে ও ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে। এ সময় তার কয়েকজন কর্মীকেও মারধর করা হয়।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের নির্বাচনি জনসভায় আসার পথে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রাশেদ খান বলেন, হামলার ঘটনা ঘটেছে কিনা জানা নেই।
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারে নেতাদের নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। এছাড়া পাবনা ৩, মাগুরা-১ এবং ঢাকা-২০ ধামরাই আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা ইয়াসমিন এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনি অফিসে লুটপাট করার অভিযোগ করেছেন।