news.ibtvusa@gmail.com

929-633-2900

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার: ওবায়দুল কাদের

আইবিটিভি ডিজিটাল      প্রকাশিত: বিকাল ০৪:৩২, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, সোমবার      আপডেট: বিকাল ০৩:৫৯, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, বুধবার

ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে হঠাৎই রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অন্ধকারে সময়ের নির্মম বাস্তবতায় এখন দিশেহারা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। এক সময় যিনি দলীয় রাজনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন, আজ তিনি নিজেই নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংকটে। তাকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশের জাতীয় গণমাধ্যম দৈনিক আমার দেশ। 

ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কলকাতার নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে কাটছে ওবায়দুল কাদেরের দিন। কিন্তু সেখানে নেই আগের সেই রাজনৈতিক আত্মবিশ্বাস বা মাঠ কাঁপানো কণ্ঠস্বর। তিনি এখন বাংলাদেশে ফিরতে মরিয়া হলেও ফেরার কোনো বাস্তব পথ দেখছেন না। তার মতে, ভারত বা যুক্তরাষ্ট্রের মতো বড় শক্তিগুলোর ওপর যে ভরসা করা হয়েছিল, তা কার্যত ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে।

সূত্র জানায়, কাদের স্পষ্টভাবে বলেছেন ইউরোপ ও আমেরিকা এখন বৈশ্বিক বড় ইস্যু নিয়ে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ বা এর নেতাদের ক্ষমতায় ফেরানো তাদের কাছে একেবারেই গুরুত্বহীন বিষয়। এই উপলব্ধি থেকেই তার কণ্ঠে ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ পাচ্ছে।

দলীয় বিপর্যয়ের জন্য নিজের দলকেই দায়ী করছেন কাদের। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার একক শক্তিতেই এতদিন আওয়ামী লীগ চলেছে। অন্য নেতারা দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেননি। ফলে দল আজ এমন সংকটে পড়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর আওয়ামী লীগের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকার দেখছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক। 

গত ২৩ জানুয়ারি দিল্লিতে শেখ হাসিনার সশরীরে উপস্থিতি বা অন্তত একটি ভিডিও বার্তার আশায় ছিলেন নেতাকর্মীরা। ধারণা ছিল, সেটি দলকে নতুন দিকনির্দেশনা দেবে। কিন্তু বাস্তবে পাওয়া যায় শুধু একটি অডিও বার্তা, যেখানে রাজনৈতিক রূপরেখার চেয়ে ব্যক্তিগত ক্ষোভই বেশি প্রাধান্য পায়।
 
এ অবস্থায় নির্বাসিত আওয়ামী নেতাদের মধ্যে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর, অনেকেই এখন ভারত ছাড়ার চিন্তাভাবনা করছেন। কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারা বুঝে গেছেন রাজনীতির মাঠে আওয়ামী লীগের প্রভাব এখন তলানিতে, আর তাদের নিয়ে ভাবার সময় কারও হাতে নেই।