সরকারের একজন উপদেষ্টা, বিশেষ সহকারী ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে হঠাৎ করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের আর এক মাসও নেই; এমন একটা সময়ে এই তিনজনকে এমন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক নিয়োগ করা নিয়ে একাধারে বিস্ময় ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
আপস
বিশেষত এই তিনজনের কারও এভিয়েশন ব্যবসার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বা অতীতে কোনো যুক্ততাও ছিল না। তার ওপর জাতীয় নির্বাচনের আগের এই সময়ে নির্বাচন কমিশন সচিবের অন্যদিকে মনোযোগ দেওয়ার মতো সময়ও পাওয়ার কথা নয়। বাকি দুজনেরও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে।
বুধবার জারি করা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে পরিবর্তন আনা হয়। পরিচালক পদে নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
হঠাৎ তিনজনকে বিমানের পরিচালনা পর্ষদে আনা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম বলেন, এ সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, তা বোঝা কঠিন। তিনি বলেন, এমন তিনজনকে পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে, তিনজনই এই মুহূর্তে রাষ্ট্রীয় কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত। তাঁরা নিজেদের কাজ করে কখন আবার বিমানে সময় দেবেন। তা ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারেরও মেয়াদ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বিমান নিয়ে সরকারের কোনো বড় ধরনের চিন্তা বা পরিকল্পনা থাকতে পারে। কিন্তু সেটা নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই।